ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

রাতের অন্ধকারে শিক্ষককে পেটালেন দুর্বৃত্তরা 

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:১৮, ২৭ নভেম্বর ২০১৯
রাতের অন্ধকারে শিক্ষককে পেটালেন দুর্বৃত্তরা 
ছবি : ডেইলি বাংলাদেশ

কুমিল্লার হোমনায় এক প্রধান শিক্ষককে রাতের অন্ধকারে পিটিয়ে আহত করেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা।

সোমবার রাতে রামকৃষ্ণপুর বাজার থেকে বাসায় যাওয়ার পথে পূর্ব আড়ালিয়া এলাকার হাক্কু মিয়ার পুকুরের পশ্চিম পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।  

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও লোকজনের সহায়তায় ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

Advertisement

আহত এটিএম আবদুল মতিন উপজেলার রামকৃষ্ণপুর কামাল স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। 
  
শিক্ষক আহতের খবর পেয়ে ইউএনও তাপ্তি চাকমা ও ওসি সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বী তাৎক্ষণিকভাবে তাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। এ ঘটনায় ওই রাতেই প্রধান শিক্ষক নিজে বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ৩-৪ জনকে আসামি করে হোমনা থানায় একটি মামলা করেন। রাতে আভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার কোর্টের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিন জানান, কয়েক মাস আগে থেকে আসামিরা ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে। তিনি বিভিন্ন সময় এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি তার এক সহকারী শিক্ষককে নিয়ে রামকৃষ্ণপুর বাজার থেকে তার বাসায় যাচ্ছিলেন। পথে আড়ালিয়া এলাকার হাক্কু মিয়ার পুকুরের পশ্চিম পাড়ে পৌঁছালে আসামিরা ধারালো অস্ত্র, হকিস্টিক ও লোহার রড নিয়ে তাদের পথরোধ করে মারপিট করতে থাকে। এতে তার মাথা, হাত-পা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ও জখম হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তার চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বাশার মোল্লা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। 

ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বাশার মোল্লা বলেন, প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিনকে দুর্বৃত্তরা আক্রমণ করেছে শুনেই আমি লোকজন নিয়ে দ্রুত ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করাই।

হোমনা থানার ওসি সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বী বলেন, কিছুদিন আগে কেউ কেউ প্রধান শিক্ষক আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করেছে। এ নিয়ে তার সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!